হাওড়া হেডলাইন্স: শনিবারই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে নন্দীগ্রামে মহাযুদ্ধ হতে চলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখোমুখি লড়তে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। আর ঠিক তার পরদিনই, রবিবার ব্রিগেডের সমাবেশ থেকে ‘ঘরের ছেলে’ প্রবল আক্রমণ শানালেন ‘ঘরের মেয়ে’ মমতাকে। আর এতদিন তোলাবাজি, দুর্নীতি, সিন্ডিকেট রাজ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ শানালেও এবার সরাসরি ধর্মীয় তাস ব্যবহার করলেন শুভেন্দু। ‘বাংলা ঘরের মেয়েকেই চায়’ বলে প্রচার শুরু করেছেন মমতা। সেই প্রচারকে আক্রমণ শানিয়েই এদিন শুভেন্দু বলেন, ‘আপনাকে ঘরের মেয়ে বলে কে মানে? আপনাকে কেউ ঘরের মেয়ে বলে মানে না। আপনি ঘরের মেয়ে নন, আপনি শুধু অনুপ্রবেশকারীদের ফুফু আর রোহিঙ্গাদের খালা।’
এখানেই শেষ নয়, শুভেন্দুর তুমুল আক্রমণ, ‘এই তোলাবাজরা আবার ফিরে এলে পশ্চিমবঙ্গ কাশ্মীর হয়ে উঠবে’। তাঁর কথায়, ‘মাননীয়া ৫০০ কোটি টাকা দিয়ে বুদ্ধি কিনেছেন। দিদিকে বলো-র ফোন এখন বন্ধ হয়ে গিয়েছে।’ আর নন্দীগ্রামের টাফ-ফাইট প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, ‘আপনাদের সবাইকে বলে যাচ্ছি, নন্দীগ্রামে মাননীয়াকে আমি হারবই, হারাবই, হারাবই। ওই মাটি আমার একদম চেনা। ২০ বছর কাজ করেছি। নন্দীগ্রাম বুথে ভোট দেব। আমি ওখানকার ভোটার। টিভিতে দেখতে হবে আপনাকে। নন্দীগ্রামে আপনি বলে-বলে হারবেন। আপনাকে প্রাক্তন বিধায়কের পোস্টার ছাপিয়ে রাখতে হবে। এখন থেকেই বলে দিলাম।’
শুভেন্দুর অভিযোগ, ‘বাংলার আগামী প্রজন্ম ধ্বংস করে দিচ্ছে এই সরকার। কৃতী মানুষ হিসেবে তা চান না মিঠুনদা। তাই আজ এখানে ছুটে এসেছেন তিনি। চিটফান্ডে বাংলায় ৩ কোটি মানুষ টাকা হারিয়েছেন। সেই বঞ্চনার জবাব দিন বিজেপিকে ভোট দিয়ে। বিজেপিই আপনাদের দুঃখ ঘোচাতে পারে। আমরাই প্রতারিতদের টাকা ফিরিয়ে দিতে পারব।’
বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, ‘বাংলায় কোনও শিল্প নেই। কোনও কাজ নেই। সিঙ্গর থেকে টাটাদের তাড়িয়েছিল মাননীয়া। আর কাজ না করে এখন কথায় কথায় খেলা হবে বলছে! মানুষ কি ফুটবল? উন্নয়ন না করে এখন ভয় দেখাচ্ছে মানুষকে। ২মে ম্যাজিক হবে ইভিএম-এ। কাকে খেলা বলে, বাংলার মানুষ দেখিয়ে দেবেন
