চুঁচুড়ায় তৃণমূলের সভায় মেরেকেটে হাজার খানেক লোক দেখে মঞ্চ ছাড়লেন মমতা

হাওড়া হেডলাইন্স: হুগলি জেলার সদর চুঁচুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অসিত মজুমদারকে নিয়ে প্রথম থেকেই দলীয় স্তরে ক্ষোভ-বিক্ষোভ ছিল৷ তাতে কর্ণপাত না করেই পুনরায় তৃতীয়বার অসিত মজুমদারকে প্রার্থী করায় মূলস্রোতের আদি তৃণমূলীদের ক্ষোভের বর্হিপ্রকাশ তীব্র আকার নিল কাল মঙ্গলবার৷ এদিন এখানেই মমতার সভা ছিল৷ কিন্তু মমতা ব্যানার্জি মঞ্চে উঠে জানতে পারেন আদি তৃণমূলীরা অভিমানে তাঁর সভা বয়কট করেছে৷ ফলে মমতার জনসভা সুপার ফ্লপ হয়ে যায় এদিন৷ জানা যায়, মেরেকেটে মমতার চুঁচুড়ার সভায় বড়জোর হাজার দুয়েক লোক হয়৷ অর্থাৎ অর্ধেক মাঠই ফাঁকা ধূ ধূ করতে থাকে৷ এমতাবস্থায় মমতার চোখে-মুখে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট দেখা যায়৷ অগত্যা ১৫ মিনিট পরেই সভামঞ্চ ছেড়ে চলে যান তৃণমূল সুপ্রিমো৷

জানা যায়, এখানকার ঘাসফুল প্রার্থী অসিতের বিরুদ্ধে দলীয়স্তরে কাটমানি, তোলাবাজির মতো গুরুতর সব অভিযোগ ছিল৷ স্থানীয় তৃণমূলী কর্মী-সমর্থকদের দাবি, একদা মমতা নিজেই অসিতকে কাটমানি-তোলাবাজির জন্য ধমক দিয়েছিলেন৷ তাহলে তারপরেও কেন সেই দুর্নীতবাজ অসিতকেই প্রার্থী করা হল? এদিন মমতা সভা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তড়িঘড়ি বৈঠকে বসেন অসিত বিরোধী গোষ্ঠীর লোকজন৷ তারা সিদ্ধান্ত নেন, অসিতকে লক্ষাধিক ভোটে হারাতে হবে৷ তার পরাজয় যেন কেউ আটকাতে না পারে, এই মর্মে অঙ্গীকার করেন তাঁরা৷ এই গোষ্ঠীর তরফে আদি তৃণমূলীদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অসিতকে হারাতে বিজেপি অথবা নোটায় ভোট দেওয়ার জন্য৷ চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী সাংসদ লকেট চ্যাটার্জি বলেন, তৃণমূল প্রার্থী অসিত মজুমদার যে কতবড় মাপের তোলাবাদ ও দুর্নীতিবাজ, তা লোকের মুখে মুখে ফিরছে৷ বিজেপি শিবিরের দাবি, গত ১০ বছরে অসিতবাবু যে পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি করেছেন, তার জন্য ভোটের পর নিশ্চিত হারবেন এবং ইডি তাঁকে গ্রেফতার করবেই৷ এটাই তাঁর একমাত্র ভবিতব্য৷

উল্লেখ্য, চুঁচুড়া এলাকায় সম্প্রতি তৃণমূলের একাংশ এক লিফলেট বিলি করে৷ যাতে লেখা ছিল, ’ইডি-র নজরে আছেন অসিত মজুমদার ও তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন৷’ এ ছাড়াও লেখা হয়েছে অসিত মজুমদার গত ১০ বছরে একাধিকবার বিদেশ সফর করেছেন। তার সঙ্গী ছিলেন চুঁচুড়া বিধানসভার অন্তর্গত বেশকিছু পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও পঞ্চায়েত প্রধান। ওই সফরে কয়েক কোটি টাকা খরচ হয়েছে। কারা কারা এই বিদেশ সফর করেছিলেন, তাদের পাসপোর্ট ও ভিসা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে’। এই লিফলেট সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা চুঁচুড়া এলাকায়। তবে কারা এই লিফলেট ছড়িয়েছেন তা জানা যায়নি। কারও নাম উল্লেখ নেই সেখানে।

​লিফলেটের শেষদিকে বলা হয়েছে, ‘এবারে বিধানসভা ভোটে যে হলফনামা দিয়েছেন অসিত মজুমদার, তাতে দেখা গিয়েছে ২০১৬ সালের তুলনায় তার এবং তার স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ বেড়েছে অনেক গুণ। গত পাঁচ বছরে কী করে তার এত সম্পত্তি বাড়লো, সেই বিষয়টিও ইডি নজরে রাখছে বলে বলা হয়েছে। ভোটের আগে তার বিরুদ্ধে এই যে লিফলেট ছড়ানো হয়েছে, তাতে অসিত মজুমদার বেশ বেকায়দায় পড়েছেন বলে মত এলাকাবাসীর।

স্ট্র্যান্ড রোড অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রেল পূর্ণ সহযোগিতা করেছে, মমতা ব্যানার্জির অভিযোগ উড়িয়ে দাবী রেলের

হাওড়া হেডলাইন্স: কলকাতার স্ট্র্যান্ড রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে গভীর রাতে পর পর টুইট করলেন রেলমন্ত্রী পীযুষ গোয়েল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ উড়িয়ে রেলের পদস্থ কর্তারা যে ঘটনাস্থলে রয়েছেন তাও জানালেন। মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা জানাতেও ভোলেননি তিনি। পরপর তিনটি টুইট করেন পীযুষ। এদিনই সন্ধে ৬:১০ নাগাদ আগুন লাগে নিউ কয়লাঘাটের ওই বহুতলে। সেখানে রয়েছে পূর্ব রেলের দফতর।

টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘মৃত নয়জনের পরিবারকে আন্তরিকভাবে সমবেদনা জানাব। রেলের জেনারেল ম্যানেজার সহ একাধিক কর্তা ঘটনাস্থলে রয়েছেন। রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সব কাজ করা হয়েছে। রাজ্যর সঙ্গে সবরকম সহযোগিতা করা হচ্ছে।’

এদিকে, মর্মান্তিক ঘটনায় দুঃখপ্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই রেলের প্রতি অসন্তোষপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন, ‘দুর্ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না, তবে রেলের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হয়নি।’ এতবড় একটি ঘটনায় রেল কর্তাদের অনুপস্থিতি নিয়ে বিস্ময়ও প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাত ১১:১৫ নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত নিখোঁজদের পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, মৃত্যুর বিকল্প কিছু হয় না। তবু পরিবারগুলোর কথা মাথায় রেখে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য এবং পরিবারের এক জনকে চাকরি দেওয়া হবে। রাত ১২টা নাগাদ ঘটনাস্থল ছেড়ে যান SSKM-এ। এই হাসপাতালেই দুর্ঘটনায় মৃতদের দেহ আনা হয়েছে।


জানা গিয়েছে, এই নিয়েই ইতিমধ্যেই পূর্ব রেল একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। টুইটে সে কথা লিখেছেন রেলমন্ত্রী। মাথায় একজন পদস্থ কর্তাকে রেখে গোটা ঘটনা নিয়ে দ্রুত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে বলেন, ‘বিল্ডিংয়ের ম্যাপ দেয়নি রেল, দমকল ম্যাপ চাওয়া হয়েছিল। অসহযোগিতা পাওয়া যায়নি বলেই সুজিত বসু আমায় জানিয়েছেন।’
জানা গিয়েছে, ঘটনায় রেলের দুই কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। তার মধ্যে একজন RPF কর্মী ও অন্যজন পদস্থ কর্তা। অগ্নিকাণ্ডের রেলের সার্ভার রুমটি ভস্মীভূত হয়েছে। এর ফলে রেলের একাধিক শাখায় অনলাইন টিকিট বুকিং ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে।

খেলা হবে স্লোগান দিয়ে নিজেই বাদ খেলা থেকে,ব্যাপক ট্র্রোলড দেবাংশু

হাওড়া হেডলাইন্স: কেউ টিকিট পেয়েছেন কেউ পাননি আর এই নিয়েই তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক ক্ষোভ।  তালিকায় নতুনদের জায়গা করে দেওয়ার সাথে সাথে পুরনো বিধায়ক, মন্ত্রীদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর পুরনোদের প্রার্থী না করায় ক্ষোভ দেখা গিয়েছে সর্বত্র। তবে এসবের মধ্যে এখন সবথেকে বেশি চর্চায় দেবাংশু ভট্টচার্য। টিকিট না পাওয়ায় রীতিমতো ট্রোলের শিকার হয়েছেন তিনি।

শুভজিত নাথ লিখেছেন, “একটা টিকিট পাওয়া ভাই তোর উচিত ছিল। এত গলা ফাটালি, এত ডিবেট শো করলি তাও পেলি না। খুব কষ্ট লাগলো।” বেশিরভাগ নেটিজন দেবাংশুর ‘খেলা হবে’ বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কটাক্ষ করেছেন। অনেকে নেটিজন বলেছেন, “খেলা হবে খেলা হবে বলে চিৎকার করে ছেলেটা নিজেই খেলা থেকে বাদ হয়ে গেল।”

কেউ আবার বলেছেন ‘খেলা হবে বলে পাড়ার লোকজনকে ডাকা ছেলেটাকে মাঠে গিয়ে খেলা থেকে বাদ করে দেওয়া হলো। বেশকিছু পেজ থেকেও দেবাংশুকে নিয়ে জোর ট্রোল করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে দেবাংশুকে টিকিট কেন দেওয়া হয়নি সেই নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। এত খেটেও কেন দেবাংশু টিকিট পেল না সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে তার বেশকিছু সমর্থক। দেবাংশুকে টিকিট না দিয়ে কেন টলিউড থেকে আসা নতুন মুখদের টিকিট দেওয়া হলো তাই নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। আর সমস্ত ক্ষোভ, আক্রোশ এখন উঠে আসছে সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়ালে।

রবিকুল ইসলাম নামের একজন সোশ্যাল মিডিয়া ইউজার লিখেছেন, “দিদি  দেবাংশু দার নাম কোথায়।” সৌমেন চৌধুরী লিখেছেন, “দেবাংশু, সুদীপ, সুপ্রিয়, ত্রিনাকুর এদের কেউ নেই। ফালতু সায়নি, সায়ন্তিকাকে টিকিট দিচ্ছে। লজিক বুঝলাম না।

আপনাকে কেউ ঘরের মেয়ে বলে মানেনা,মমতাকে তোপ শুভেন্দু অধিকারীর

হাওড়া হেডলাইন্স: শনিবারই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে নন্দীগ্রামে মহাযুদ্ধ হতে চলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখোমুখি লড়তে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। আর ঠিক তার পরদিনই, রবিবার ব্রিগেডের সমাবেশ থেকে ‘ঘরের ছেলে’ প্রবল আক্রমণ শানালেন ‘ঘরের মেয়ে’ মমতাকে। আর এতদিন তোলাবাজি, দুর্নীতি, সিন্ডিকেট রাজ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ শানালেও এবার সরাসরি ধর্মীয় তাস ব্যবহার করলেন শুভেন্দু। ‘বাংলা ঘরের মেয়েকেই চায়’ বলে প্রচার শুরু করেছেন মমতা। সেই প্রচারকে আক্রমণ শানিয়েই এদিন শুভেন্দু বলেন, ‘আপনাকে ঘরের মেয়ে বলে কে মানে? আপনাকে কেউ ঘরের মেয়ে বলে মানে না। আপনি ঘরের মেয়ে নন, আপনি শুধু অনুপ্রবেশকারীদের ফুফু আর রোহিঙ্গাদের খালা।’

এখানেই শেষ নয়, শুভেন্দুর তুমুল আক্রমণ, ‘এই তোলাবাজরা আবার ফিরে এলে পশ্চিমবঙ্গ কাশ্মীর হয়ে উঠবে’। তাঁর কথায়, ‘মাননীয়া ৫০০ কোটি টাকা দিয়ে বুদ্ধি কিনেছেন। দিদিকে বলো-র ফোন এখন বন্ধ হয়ে গিয়েছে।’ আর নন্দীগ্রামের টাফ-ফাইট প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, ‘আপনাদের সবাইকে বলে যাচ্ছি, নন্দীগ্রামে মাননীয়াকে আমি হারবই, হারাবই, হারাবই। ওই মাটি আমার একদম চেনা। ২০ বছর কাজ করেছি। নন্দীগ্রাম বুথে ভোট দেব। আমি ওখানকার ভোটার। টিভিতে দেখতে হবে আপনাকে। নন্দীগ্রামে আপনি বলে-বলে হারবেন। আপনাকে প্রাক্তন বিধায়কের পোস্টার ছাপিয়ে রাখতে হবে। এখন থেকেই বলে দিলাম।’

শুভেন্দুর অভিযোগ, ‘বাংলার আগামী প্রজন্ম ধ্বংস করে দিচ্ছে এই সরকার। কৃতী মানুষ হিসেবে তা চান না মিঠুনদা। তাই আজ এখানে ছুটে এসেছেন তিনি। চিটফান্ডে বাংলায় ৩ কোটি মানুষ টাকা হারিয়েছেন। সেই বঞ্চনার জবাব দিন বিজেপিকে ভোট দিয়ে। বিজেপিই আপনাদের দুঃখ ঘোচাতে পারে। আমরাই প্রতারিতদের টাকা ফিরিয়ে দিতে পারব।’

বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, ‘বাংলায় কোনও শিল্প নেই। কোনও কাজ নেই। সিঙ্গর থেকে টাটাদের তাড়িয়েছিল মাননীয়া। আর কাজ না করে এখন কথায় কথায় খেলা হবে বলছে! মানুষ কি ফুটবল? উন্নয়ন না করে এখন ভয় দেখাচ্ছে মানুষকে। ২মে ম্যাজিক হবে ইভিএম-এ। কাকে খেলা বলে, বাংলার মানুষ দেখিয়ে দেবেন

ভুয়ো খবর ছড়াতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লেন সিপিএমের যুব নেতা শতরূপ ঘোষ

হাওড়া হেডলাইন্স: প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর থেকে তৃণমূলের অন্দরে ক্ষোভ দেখা গিয়েছে। একের পর এক তৃণমূলের নেতা-নেত্রী দল ছাড়ার ঘোষণা করেছেন। সেই ক্রমেই সোনামুখীর তৃণমূল নেত্রী দীপালি সাহা তৃণমূল ছাড়ার ঘোষণা করেছেন এবং তিনি বিজেপিত যোগও দিয়েছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতির হাত ধরে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।

কিন্তু যুব বাম নেতা শতরুপ ঘোষ দীপালি সাহার নাম না নিয়ে তৃণমূলের প্রার্থী শিউলি সাহার নাম নিয়ে বিপাকে পড়লেন। উল্লেখ্য, বাম নেতা শতরুপ ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে লেখেন, ‘যখন একের পর এক তৃণমূল নেতা-নেত্রী ভোট প্রার্থী না হতে পেরে বিজেপিতে চলে যাচ্ছেন, তখন অনন্য নজির গড়লেন তৃণমূল প্রার্থী শিউলি সাহা। তিনি ভোটে প্রার্থী হয়েও পরের দিন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।”

বলে রাখি গতকাল তৃণমূলের যেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। তাতে তৃণমূল নেত্রী শিউলি সাহার নামও আছে। আর তিনি কেশপুর থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন। তবে তিনি বিজেপিতে যোগ দেননি। কিন্তু বাম নেতা শতরুপ ঘোষ ওনার বিরুদ্ধে ভুয়ো প্রচার করে বলেছেন শিউলি সাহা প্রার্থী হয়েও বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। আর এই নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন তৃণমূল নেত্রী শিউলি সাহা।

তৃণমূল নেত্রী শিউলি সাহা ওনাকে নিয়ে অপপ্রচার করার জন্য শতরুপ ঘোষের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। শিউলি ঘোষ একটি দৈনন্দিন বাংলা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথাবার্তার সময় বলেন, কে এই শতরুপ ঘোষ? আমি শুনেছি উনি দুইবার ভোটে হেরেছেন। আর এরপর আমার নামে এসব অপপ্রচার করছেন।

শিউলি সাহা আরও বলেন, ‘আমি বিক্রি হওয়ার মানুষ না। এর আগে সিপিএমের রামেশ্বর দলুইকে ১ লক্ষ ভোটে হারিয়েছি। এবারও সিপিএম প্রার্থীকে নিলডাউন করিয়ে ছাড়ব।” শিউলি সাহা ওনাকে নিয়ে চলা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন।

ইস্তফা দিচ্ছে ফিরহাদ হাকিম,জোর চর্চা রাজনৈতিক মহলে

হাওড়া হেডলাইন্স: কলকাতা হাই কোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে দফায় দফায় মামলা করেও পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান পদ থেকে প্রাক্তন মেয়র তথা পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে (Firhad Hakim) সরাতে পারেনি বিরোধীরা। কিন্তু এবার নির্বাচন কমিশনের আইনি প্যাঁচে করোনাকালে মহানাগরিকের দায়িত্ব সামলানো পদে ইস্তফা দিতে বাধ্য হচ্ছেন তিনি। শুধু নগরনিগমের বোর্ড অফ চেয়ার‌ম্যানের দায়িত্ব নয়, KMDA’র চেয়ারম্যান, নবদিগন্তের চেয়ারম্যান ও ফুরফুরা শরিফ উন্নয়ন পর্ষদের শীর্ষ পদও ছাড়ছেন পুরমন্ত্রী। পুরদপ্তর সূত্রে খবর, কলকাতা পুরসভার প্রশাসকমন্ডলীর চেয়ারম্যান পদে ফিরহাদ ইস্তফা দিতেই রাজ্য সরকার মনোনীত বোর্ড যেমন ভেঙে যাবে, তেমনই ১৪৪টি ওয়ার্ডে প্রাক্তন কাউন্সিলরদের কো-অর্ডিনেটর পদটিও লুপ্ত হয়ে যাবে।

Design a site like this with WordPress.com
Get started